22% OFF
Product Description
খেজুর গুড় এক ধরনের খাবার যা খেজুরের রস থেকে তৈরি করা হয়। বাংলা অগ্রহায়ণ মাস থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত খেজুরের রস সংগ্রহ করা হয়। আগুনের উত্তাপে রসকে ঘন ও শক্ত পাটালিগুড়ে পরিণত করা হয়।
শীতকালে খেজুরের রস ও গুড় দিয়ে পায়েস, বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন পিঠা, তালের পিঠা, খেজুর গুড়ের জিলাপি ইত্যাদি তৈরি হয়ে থাকে। স্বাদ আর মানভেদে খেজুরের গুড় পাটালি, নলেন গুড়, হাজারী গুড় নামে পরিচিত।
খেজুরের গুড় শীতকালীন একটি পুষ্টিকর ও সুস্বাদু প্রাকৃতিক মিষ্টি, যা প্রচুর পরিমাণে আয়রন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ । এটি রক্তশূন্যতা দূর করতে, হজমশক্তি বাড়াতে, কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে এবং শরীরকে উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে । এছাড়াও, এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি, লিভার সুস্থ রাখা এবং পেশি শক্তিশালী করতে বিশেষ কার্যকরী
খেজুরের গুড়ের প্রধান স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- রক্তশূন্যতা দূরীকরণ: খেজুরের গুড়ে প্রচুর আয়রন থাকায় এটি হিমোগ্লোবিনের মাত্রা বাড়িয়ে রক্তাল্পতা প্রতিরোধ করে।
- হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ: এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, আমাশা এবং বদহজমের সমস্যা দূর করে পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি:এতে থাকা জিংক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরকে বিষমুক্ত (Detox) করতে সাহায্য করে।
- পেশি ও হাড় শক্তিশালী করা: প্রচুর পটাশিয়াম ও সোডিয়াম থাকার কারণে পেশি ও হাড়ের গঠনে এটি সহায়তা করে।
- লিভার সুস্থ রাখে: খেজুরের গুড় শরীর থেকে টক্সিন বের করে দিয়ে লিভারকে সুস্থ ও কার্যকর রাখে।
- শীতকালীন শারীরিক সুস্থতা: শীতের ঠান্ডাজনিত সমস্যা (ঠান্ডা, কফ, কাশি) থেকে আরাম দেয় এবং শরীর উষ্ণ রাখে।
- ত্বক ভালো রাখা: এটি শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রেখে ত্বকের ব্রণ ও ফুসকুড়ি দূর করে তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে।
- শক্তি উৎপাদন: এটি শরীরের ক্লান্তি দূর করে দ্রুত শক্তি (Energy) প্রদান করে।
- সতর্কতা: যদিও এটি চিনি থেকে ভালো, তবুও অতিরিক্ত পরিমাণে খেজুরের গুড় খাওয়া ঠিক নয়, বিশেষ করে ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পরিমিত গ্রহণ করা উচিত [১০]।